বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
Title :
মেলেনি প্যারোলে মুক্তি, ছাত্রলীগ নেতা শাহরুখের সাথে জেলগেটে দেখা করতে গেলো মৃত বাবা বানারীপাড়ায় রাজুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের অভিযোগ, হামলার শিকার বাবা ছেলে। উজিরপুরে এসএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি: যুবককে এক বছরের কারাদন্ড নিপীড়ন বিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের কমিটি গঠন নারায়ণগঞ্জের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আসামি ইউসুফ (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১ কালিয়াকৈর পৌর সভা নির্বাচনে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র পদপ্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ, প্রকৃত তথ্য প্রকাশের দাবি মিরপুরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ: শাহ আলী থানার ওপেন হাউজে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বরিশালে এবার ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অর্থ কেলেংকারি ফাঁস! শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রাজধানীর উত্তরায় মদের বারে নারী পুরুষসহ আটক ১৪০ জন

গৃহবধূ অপহরণচেষ্টা: এক দশক পর নড়েচড়ে বসলো ধামরাই থানা পাঁচ আসামির নামে মামলা

  • Update Time : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৮ Time View

সুমন খান:

ঢাকার ধামরাইয়ে ২০১৫ সালের একটি অপহরণচেষ্টার ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার দীর্ঘ ১০ বছর পর আদালতের নির্দেশে অবশেষে এজাহার গ্রহণ করে মামলা রুজু করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৩০ ধারায় এই মামলা রুজু করা হয়, যেখানে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর সকাল ৮টায় ধামরাইয়ের বালিমা গ্রামের মোসাঃ রাবেয়া বেগম (৫০) বেলীশ্বর মোহনীমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পাকা রাস্তার উপর তাকে পথরোধ করে গোলাইন গ্রামের একটি সংঘবদ্ধ দল। অপহরণের উদ্দেশ্যে ভয়ভীতি, ধাক্কাধাক্কি ও বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে মোঃ আঃ রহমান (২৫), মোঃ ইয়ার হোসেন (৪৫), মোঃ রায়হান (২৪), মোঃ শাকিল মিয়া (৫০) ও ইমদাদুল হক (২৭)-এর বিরুদ্ধে।ঘটনার পর বাদী সরাসরি মামলা করতে না পারায় পিটিশন নং ৩৯১/২০২০ আদালতে দাখিল করেন। আদালতের আদেশে টাইপকৃত এজাহার গত ১৫ নভেম্বর ২০২৫ রাত ৯টা ২০ মিনিটে ধামরাই থানায় এসে পৌঁছালে সেটিকেই মূল এজাহার হিসেবে গণ্য করে মামলা রুজু করা হয়।ধামরাই থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত)শহিদুল,ইসলাম,জানান,আদালতের নির্দেশে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। বিলম্বের সমস্ত কারণ নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়া হবে।এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে এসআই (নিঃ) মোঃ জিয়াউর রহমানকে, যিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সাক্ষ্য সংগ্রহ ও অপরাধের প্রমাণ যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ঘটনাটি চাপা থাকলেও ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচারের দাবিতে নিরলস লড়াই করে আসছিল। অবশেষে আদালতের নির্দেশে মামলা রুজু হওয়ায় নতুন করে বিচার পাওয়ার আশা জেগেছে।আইনজীবীরা বলছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধের আওতাভুক্ত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি হতে পারে।গ্রামজুড়ে এখন নতুন করে আলোচনা,এক দশক পরও কি মিলবে ন্যায়বিচার?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
dailydhakaralo